উত্তর শূন্যের আর্কাইভের গদ্যের পাতা 'উষ্ণিকীয়' এসে গেল। অবশ্যই মুক্ত গদ্যের পাতা। কোন ফতোয়া নেই, নিয়ম-কানুন নেই। মুক্ত থেকে বদ্ধ- সব উন্মত্ততা যেমন খুশি সাজিয়ে শুধু টুপ করে ফেলে দেওয়া এ পাতায়। সুতরাং দেরি করবেন না। আপনার মাথার ভেতরে ও বাইরে যা কিছু ওড়াউড়ি করছে তাকে খপ করে ধরে সাজিয়ে ফেলুন কিম্বা এলোমেলো করে ফেলুন । তারপর আমাদের হাতে তুলে দিন, এই ঠিকানায়- ushnik.editor@gmail.com
আমরা ওকে উষ্ণিকের সুতোয় বেঁধে দূর আকাশে উড়িয়ে দেব, ডাকঘুড়ির মতো। তারপর সেই ডাকঘুড়ির শব্দে পৃথিবীর সব পাগলের ঘুম ভেঙে গেলে আমরা সুতোর টানে হাওয়াই-কসরত দেখাব।প্রমিস।
এখন সুবাতাস বইছে। শিগগির, মনের রং-বেরঙের ঘুড়িগুলোকে উড়িয়ে দিন...
আমরা ওকে উষ্ণিকের সুতোয় বেঁধে দূর আকাশে উড়িয়ে দেব, ডাকঘুড়ির মতো। তারপর সেই ডাকঘুড়ির শব্দে পৃথিবীর সব পাগলের ঘুম ভেঙে গেলে আমরা সুতোর টানে হাওয়াই-কসরত দেখাব।প্রমিস।
এখন সুবাতাস বইছে। শিগগির, মনের রং-বেরঙের ঘুড়িগুলোকে উড়িয়ে দিন...
ভীষণ ভালো উদ্যোগ। জরুরি কাজ। আমি কবিতার ছেলে। কিন্তু কবিতার জন্যেই এটা অনেক প্রয়োজন। নিজের অনেক গিঁট, জট খুলে যায় এই গদ্যে। এরকম একটা পাতা আমাকেও দেবার জন্যে নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। এই পাতা যেন এই সময়কে সম্মানিত করে...
ReplyDeleteকী অদ্ভুত এক ধরনের ভালো লাগা, যেনো কেউ আঠা লাগিয়ে দিচ্ছে চোখ আর মগজের সাথে , চোখ সরালেও মগজ সরছেনা আর সেই ভো দৌড় লাগালেই ছিড়ে যাবে রক্তাক্ত হয়ে যাবে নিজের চেতনা। অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন তিনি কবিতার ছেলে কিন্তু কবিতার ছেলে যেভাবে গদ্যের কাঠামোতে বসিয়ে দিলেন অনন্ত চিন্তার প্রবাহ তা কবিতাক্রান্ত হলেও প্রথাগত ধারনায় দামামা বাজাতে সক্ষম। একটা নতুন Concept, Instrumental সঙ্গীত কে যেভাবে পাহাড়ে বুনে দিয়ে আবার নিয়ে এলেন Magic realism এর রুমালে, সন্দেহ নেই এই গদ্য আলো ফেলবে সমস্ত ফোকাসে।
ReplyDeleteমেজাজটাকে কিছুতেই ওরকম হতে দেব না ভাবছি। এই একটি বাক্যেই যেনো বলা হলো মানুষের সেই সব চুড়ান্ত ইচ্ছের কথা যা বলবার জন্য সে/ তারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যাচ্ছে। অভিনন্দন ...